জাপানে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা

বিশ্ব অর্থনীতিতে জাপানের অবস্থান তৃতীয়। চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে জাপান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলো থেকে সম্ভাবনাময় জনশক্তিকে জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে।

এই দেশগুলোর তালিকার মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, নেপাল ও ফিলিপাইন।এসব দেশের দক্ষ জনশক্তিকে তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক বেতন দিয়ে জাপানিজ কোম্পানিগুলো চাকরি দেয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছে জাপানে,পিছিয়ে নেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।প্রতি বছর এদেশ থেকে উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষার জন্য পাড়িজমাচ্ছে জাপানে।জাপানের গ্লোবাল ৩০ ভিশন অনুযায়ী, জাপান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় তিন লক্ষ শিক্ষার্থী নেবে।

এজন্য এগিয়ে এসেছে জাপানের বিভিন্ন ল্যাংগুয়েজ (ভাষাশিক্ষার) ইনস্টিটিউটগুলো। পড়াশোনার পাশাপাশি ইনস্টিটিউটগুলোর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় মিলছে খণ্ডকালীন চাকুরীর সুযোগ।এমনকি নিজের পড়াশোনার খরচ মিটিয়ে দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন অনেকে।এই চলমান পরিস্থিতি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বাংলাদেশের জন্য।

জাপানে পড়াশোনা ও চাকরি বিষয়ে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশে ২০১৩ সাল থেকে কাজ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ২০১৩ সাল থেকে আইটি, সিএসসি, ইলেকট্রিক্যাল ও অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা থাকা রকারণে প্রতিষ্ঠানগুলো জাভা, পিএইচপি, ওয়েবডেভেলপমেন্ট কোর্সে প্রশিক্ষন দিচ্ছে।এর মাধ্যমে দেশের ইঞ্জিনিয়ারগন হয়ে উঠছেন আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা সম্পন্ন।

তাদের প্রশিক্ষন শেষে প্রতিষ্ঠানগুলো আয়োজন করছে বিভিন্ন জাপানিজ কোম্পানির জন্য ইন্টারভিউ সেশন।এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশিক্ষন সেশন থেকে (ট্রেনিংনিয়ে) অনেকেই পাড়ি জমিয়েছেন জাপানে,বিভিন্ন উচ্চমানের কোম্পানিতে।

উধাহরন স্বরুপ বলা যায়,এজেন্সিগুলো (প্রতিষ্ঠান)থেকে আইটি কোর্স ও জাপানিজ ভাষার কোর্স (প্রশিক্ষন)সম্পূর্ণ করেই মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা পাড়ি জমিয়েছেন জাপানে।এছাড়া যেসব জাপানিজ কোম্পানি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে কাজ শুরু করেছে সেসব কোম্পানিতে ও তাদের কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

জাপানিজ ভাষা শেখার জন্য চালু করেছে বিশেষ জাপানিজ ল্যাংগুয়েজ কোর্স।এসব কোর্সের ক্লাস নেন জাপানিজ ও বাংলাদেশী শিক্ষকরা।এখান থেকে ভাষা শিখে অনেকেই উচ্চশিার জন্য জাপানের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছেন।

জাপান সরকার ভিসাপ্রক্রিয়ার প্রশাসনিক জটিলতা শিথিল করায় বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অপার সম্ভাবনার পথ উন্মোচিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *